আপনার আশে পাশের বিভিন্ন ঘটনা-দূর্ঘটনা, প্রকৃতি পরিবেশ ও সংস্কৃতি অনুষ্ঠান এর ছবি তুলে পাঠিয়ে দিন- [email protected]

পাংশা কলেজ সরকারিকরণের স্বপ্নদ্রষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুল হাকিম এমপিকে সংবর্ধনা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও আমার মাঝে কেউ আসতে পারবে না -------বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিম এমপি




মাসুদ রেজা শিশির ॥ পাংশা কলেজ সরকারিকরণের স্বপ্নদ্রষ্টা রাজবাড়ী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিমকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে পাংশা সরকারি কলেজ। সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় পাংশা সরকারি কলেজ চত্ত্বরে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিম এমপি বলেন, এ আসনে জননেত্রী শেখ হাসিনা ও আমার মাঝে অন্য কেউ আসতে পারবে না। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে পুনরায় জননেত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করতে হবে। রাজবাড়ী-২ আসনে আমি এমপি হওয়ার পর থেকে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। যা অন্য কোন সময় হয়নি। ইতিমধ্যে ৩টি কলেজ, ৩টি হাইস্কুল সরকারিকরণ করা হয়েছে। পাংশা সরকারি কলেজ মাঠে আওয়ামীলীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী আমাদের এই কলেজকে সরকারিকরণ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তারই প্রেক্ষিতে এদেশে প্রথম ৪টি কলেজের মধ্যে পাংশা কলেজ সরকারিকরণ হয়। এ মাঠেই বিএনপির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া পাংশার মানুষকে কয়েকটি ছাগল দিয়েছিলেন। আমাদের নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা পাংশার মানুষকে অনেক দিয়েছেন। পাংশা কলেজটি সরকারিকরণের ক্ষেত্রে কলেজের উপাধ্যক্ষ এ,কে,এম শফিকুল মোরশেদ আরুজ অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। আমরা ছাড়া কেউ এ কলেজের অবকাঠামো উন্নয়নে অবদান রাখেনি। আমি এমপি হওয়ার পর এ কলেজে বড় বড় ভবন হয়েছে। কলেজের সুনাম ধরে রাখতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। ইতিমধ্যে রাজবাড়ী সরকারি কলেজ থেকে পাংশা সরকারি কলেজ অনেক এগিয়ে রয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষা আধুনিকীকরণের কৃতিত্ব একমাত্র জননেত্রী শেখ হাসিনার। এতদিন কওমী মাদ্রাসার ছিল লক্ষ্যহীন নৌকার মত। জননেত্রী শেখ হাসিনা কওমী মাদ্রাসার স্বীকৃতি প্রদান করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এতে করে কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকুরিতেও অংশগ্রহণ করতে পারবে। ইতিমধ্যে পাংশা উপজেলায় অনেকগুলো মাদ্রাসায় ভবন নির্মাণের ব্যবস্থা করেছি। মনোনয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গুটিকয়েক সুবিধাবাদী লোকজন জামায়াত-বিএনপির সঙ্গে আতাত করে মনোনয়ন পেতে চায়। তাদের আশা কোনদিন পূরণ হবে না, বিএনপি-জামায়াতপন্থী কাউকে জননেত্রী শেখ হাসিনা মনোনয়ন দিবেনা না। মনোনয়ন নিয়ে আপনাদের কোন চিন্তা নেই, জননেত্রী শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচনে আমাকেই মনোনয়ন দিবেন এ বিশ্বাস আমার রয়েছে। পাংশা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আতাউল হক খান চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকা মিলি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আলমগীর হোসাইন, পাংশা সরকারি কলেজ শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এ,কে,এম শরিফুল মোরশেদ রঞ্জু, পাংশা সরকারি কলেজের ছাত্রদের পক্ষ থেকে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন উচ্চ মাধ্যমিক ২য় বর্ষের ছাত্র অর্ণব সাহা, ছাত্রীদের পক্ষে বিবিএ অনার্স ৩য় বর্ষের ছাত্রী অনিকা আক্তার আশা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, পাংশা সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ এ,কে,এম শফিকুল মোরশেদ আরুজ। এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিম এর সহধর্মিনী মিসেস সাঈদা হাকিম, পাংশা পৌরসভার মেয়র আব্দুল আল মাসুদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রাকিব খান, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (পাংশা সার্কেল) মোঃ ফজলুল করিম, পাংশা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের সহধর্মিনী আঞ্জুমান আরা খান চৌধুরী, উপাধ্যক্ষের সহধর্মিনী মিসেস লুবনা মোর্শেদকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহাব, গভর্নিং বডির সাবেক সদস্য হাসান আলী বিশ্বাস, চাঁদ আলী খান, নিখিল কুমার দত্ত, শহিদুজ্জামান বিশ্বাস, পাংশা থানার ওসি মোঃ আহ্সান উল্লাহ্’কে স্মারক সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানস্থলে প্রধান অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিম উপস্থিত হলে পাংশা সরকারি কলেজের বিএনসিসির একটি চৌখস দল গার্ড অব অনার প্রদান করেন এবং কলেজের শিক্ষার্থীরা ফুলেল অভ্যর্থনা জানান। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পাংশা সরকারি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান হাজারী আবুল হাসিম। সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যায় সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

No comments: