আপনার আশে পাশের বিভিন্ন ঘটনা-দূর্ঘটনা, প্রকৃতি পরিবেশ ও সংস্কৃতি অনুষ্ঠান এর ছবি তুলে পাঠিয়ে দিন- [email protected]

বালিয়াকান্দিতে সড়কে ব্রীজ থাকলেও ৩ হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো


স্টাফ রিপোর্টার :
সড়ক আছে, সরকারী ভাবে জনসাধারনের চলাচলের জন্য ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে। তারপরও প্রায় ৩ হাজার মানুষের চলাচলের ভরসা এখন বাঁশের সাঁকো। প্রতিদিনই এ ভাবে দুর্ভোগের মধ্যে মানুষ চলাচল করছে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের সাঙ্গুরা-রতনদিয়া সড়কের কেদার হালটের ব্রীজটি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সুত্রে জানাগেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু/কালভার্ট কর্মসুচি ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে উপজেলার সাগুরা-রতনদিয়া রাস্তার কেদার হালটে ১৭৯৩৬৭৯ টাকা ব্যায়ে ২২ ফুট দৈর্ঘ্যরে ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্ধা ইসলাম তালুকদার, গিয়াস মিয়া, নিজাম তালুকদার, মতিয়ার মোল্যা জানান, উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের সাঙ্গুরা- রতনদিয়া সড়কের কেদার হালটের উপর ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়। ব্রীজ নির্মাণের পরই ব্রীজটি দেবে যায়। তখন মাটি ও বালু দিয়ে নিচে উচু করা হয়। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সাথে সাথে তীব্র পানির ¯্রােতের কারণে ব্রীজের এক অংশ থেকে মাটি ভেঙ্গে আবার খালের সৃষ্টি হয়। এতে ব্রীজটি দিয়ে চলাচলের অনুয়োপযোগী হয়ে পড়ে। রাস্তাটি সাঙ্গুরা থেকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার কোলারহাট যাতায়াতের সহজ পথ হওয়ার কারণে সাধারন মানুষ ও যানবাহন চলাচল করতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মাঠ থেকে ফসল আনতে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। চলাচলের জন্য স্থানীয় ভাবে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। ব্রীজটির এ অবস্থার কারণে সাঙ্গুরা, সিন্নাতপুর, সন্ধ্যা, রতনদিয়া গ্রামসহ বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ৩ হাজার মানুষের দুর্ভোগ এখন নিত্য দিনের হয়ে দাড়িয়েছে। তারা দ্রুত ব্রীজটি যাতে দ্রুত সংস্কার পুর্বক চলাচলের উপযোগী হয় তার সু-ব্যবস্থার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানা জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। দ্রুতই চলাচল যোগ্য করে তোলার জন্য ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

No comments: