আপনার আশে পাশের বিভিন্ন ঘটনা-দূর্ঘটনা, প্রকৃতি পরিবেশ ও সংস্কৃতি অনুষ্ঠান এর ছবি তুলে পাঠিয়ে দিন- [email protected]

টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেনটি বালিয়াকান্দিতে স্টোপেজ দাবী


সোহেল রানা  ঃ টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেনটি রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে স্টোপেজের দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
জানাগেছে, গত বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের গোপালগঞ্জ ও রাজশাহীর মধ্যে টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেনটির উদ্বোধন করেন। টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসে ৮টি কোচ আছে। সপ্তাহে সোম ও মঙ্গলবার ছাড়া ৫দিন এ ট্রেন চলাচল করবে। মাত্র ৬ঘন্টায় ২৫৬ কিলোমিটার পাড়ি দিবে ট্রেনটি। টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকাল ৬টা ৪৫মিনিটে গোপালগঞ্জের গোবরা থেকে ছাড়বে। বেলা ১১ টা ৫০ মিনিটে ট্রেনটি ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে পৌছাবে। এরপর দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে  পৌছাবে দেড় টায়। পরে রাজশাহী থেকে বিকাল সাড়ে ৩টায় ছেড়ে যাবে। ৩ টা ৪০ মিনিটে ট্রেনটি ঈশ্বরদী থেকে গোপালগঞ্জের গোবরার উদ্দেশ্যে ছেড়ে পৌছাবে রাত ১০টায়। তবে বালিয়াকান্দি উপজেলাতে ৪টি স্টেশনের কোন স্টোপেজ নেই।
সোমবার সকালে বহরপুর পোষ্ট অফিসের মাধ্যমে সোনার বাংলা সমাজ কল্যাণ ও ক্রীড়া সংসদের আহবায়ক এস,এম হেলাল খন্দকার বাংলাদেশ রেলওয়ে ( পশ্চিম) রাজশাহীর মহাব্যবস্থাপক বরাবর আবেদন করেছেন।
এস,এম হেলাল খন্দকার জানান, বালিয়াকান্দি উপজেলাতে কালুখালী-টুঙ্গিপাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের ৪টি স্টেশন রয়েছে। কিন্তু একটি স্টেশনেও টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেনটি স্টোপেজ নেই। ৪টি স্টেশনের মধ্যে বহরপুর স্টেশনটি সর্বাধিক গুরুত্বপুর্ণ । এ অঞ্চলের অনেক শিক্ষার্থী রাজশাহী ও কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে এবং গুরুত্বপুর্ণ ব্যাক্তি নিয়মিত যাতায়াত করে। অতিতকাল থেকেই বহরপুর বাজার একটি বৃহৎ ব্যবসা কেন্দ্র। স্টেশনটি জেলার মধ্যে সুপরিচিত এবং জনবহুল এলাকা। ইতিপুর্বে এ রুটে সকল আন্তনগর এক্সপ্রেস ট্রেন বহরপুর স্টোপেজ রেখে চলাচল করে। টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেনটি বহরপুর রেলওয়ে স্টেশনে স্টোপেজ হলে এলাকার মানুষ উপকৃত হবে ও ব্যবসা ক্ষেত্রে প্রসার ঘটবে। স্টেশনে স্টোপেজের ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্টদের পদক্ষেপ গ্রহনের এ দাবীটি এখন উপজেলার মানুষের প্রাণের দাবী।



No comments: