Monday, November 12, 2018

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০১৮ রাজবাড়ী-২ আসনের তৃনমুলের মানুষ যাকে চায় তাকেই শেখ হাসিনা নৌকার টিকিট দিবেন ---------------------- অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান।

  সোহেল রানা ঃ আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে রাজবাড়ী-২ ( পাংশা, বালিয়াকান্দি ও কালুখালী) আসনের তৃনমুলের মানুষ যাকে সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চান, তাকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা তাকেই মনোনয়ন দিবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান।
রাজবাড়ী-২ আসনে মনোনয়ন প্রাপ্তির জন্য ইতিমধ্যে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করার পর রবিবার জমা প্রদান করেছেন। অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) সভাপতি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিষ্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের মহাসচিব, বাংলাদেশ মেডিকেল শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব, বাংলাদেশ সোসাইটি অব প্যাথলজিস্ট সভাপতি, বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিকেল বায়োকেমিস্টি সভাপতি, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য, ক্যান্সার সোসাইটি অব বাংলাদেশের আজীবন সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্স কাউন্সিলের সদস্য, বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিকেল বায়োকেমিস্টি আজীবন সদস্য, ঢাকা অফিসার্স ক্লাবের সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজের নির্বাহী কমিটির সদস্য ১৯৭৫-১৯৭৮ পর্যন্ত, সিনেট সদস্য। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে জড়িত তিনি। দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে চিকিৎসকদের সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন তিনি।  তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। তার বাবা প্রয়াত ডা. এ কে এম আসজাদও রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। এলাকায় স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও মসজিদ প্রতিষ্ঠার জন্য তাঁর বাবা চার একর জমি দিয়ে গেছেন। তিনি নিজেও নিয়মিত এলাকায় এসে মেডিক্যাল ক্যাম্পসহ নানা জনকল্যাণমূলক কাজ করেন। এলাকার মানুষের অনেক ভালোবাসা তিনি ও তাঁর পরিবার পেয়েছে।
একান্ত আলাপচারিতায় অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা চাইলে আগামী নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হবেন। তিনি রাজবাড়ী-২ আসনটি দলের প্রধানকে উপহার দিতে পারবেন। সে লক্ষে তিনি নেতাকর্মীদের শেখ হাসিনার নৌকা মার্কার উন্নয়নের বার্তা প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে কাজ করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের রাগ-অনুরাগ ভাঙ্গাতে পাড়া-মহল্লায় গিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন ও তাদের দুঃখ-দুর্দশা জানার চেষ্টা, কুশলাদী বিনিময়সহ শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে প্রচারনা চালাতে বলেছেন। তাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হলে রাজবাড়ী-২ আসনকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক, জঙ্গিবাদ মুক্ত করতে সকলে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করবেন।
তিনি আরো বলেন, রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার ১০টি, বালিয়াকান্দি উপজেলার ৭টি ও কালুখালী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে রাজবাড়ী-২ সংসদীয় আসন। বর্তমানে আসনটি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দখলে। আগামী নির্বাচনে আসনটি ধরে রাখতে চান। জাতীয় সংসদের ২১০ নম্বর নির্বাচনী এলাকা পাংশা, বালিয়াকান্দি ও কালুখালী। নৌকার টিকিট চুড়ান্ত হওয়ার পর আওয়ামী লীগে নিজেদের মধ্যে বিরোধের অবসান, বঞ্চিত হয়ে ভেবে দূরে সরে আছেন তাদেরকে ডেকে এক কাতারে আনাসহ নৌকাকে বিজয়ী করতে যাঁকে দল মনোনয়ন দেবে তাঁর পক্ষেই কাজ করার উদ্যোগ গ্রহন করা হবে। আওয়ামীলীগের শাসনামালে পাংশা, বালিয়াকান্দি ও কালুখালী উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রায় প্রতিটি সড়ক পাকা হয়েছে। পাংশা ও বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্স দুটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হয়েছে। কলেজ, মাদারাসা, উচ্চ বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই শতাধিক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। বড় ও ছোট সেতু হয়েছে। এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায়ই মানুষ ভোট প্রদান করবেন। এ কারণে সকল ভেদাভেদ ভুলে নৌকা মার্কার পক্ষে জনমত সৃষ্টির আহবান জানান।