আপনার আশে পাশের বিভিন্ন ঘটনা-দূর্ঘটনা, প্রকৃতি পরিবেশ ও সংস্কৃতি অনুষ্ঠান এর ছবি তুলে পাঠিয়ে দিন- [email protected]

১৯ বছরে ৩৩২৩ জন পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক!

যৌনতা! যার মধ্যে থাকে অনেকটাই সামাজিক বেড়াজাল। আর থাকে বিয়ে নামের এক লাইসেন্স। বিয়ের আগে একটা ছেলের সঙ্গে একটা মেয়ের যৌনতাকে এখনও খুব একটা ভালো চোখে দেখে না সমাজ। আর বিয়ের পরে? যদিও পরকীয়া বৈধতা পেয়েছে তবুও সমাজের চোখে পরপুরুষ বা পরনারীর সঙ্গে যৌনতা এখনও ততটা স্বচ্ছাতা পায়নি।
কার্যত একটা ছেলে আর একটা মেয়ের যৌন জীবন যে অত সহজেই মোহলাভ করতে পারেনা তা নিশ্চই বোঝা যাচ্ছে। একান্তই বিয়ের পরে স্বামী বা স্ত্রী কে আঁকড়েই যৌন জীবন। তবে যদি এমনটা হয় বিয়ের পর স্বামী এবং স্ত্রী উভয়ের অসংখ্য অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে বেডে শেয়ার করেছেন!
এরকম নজির পেয়েছেন কখনও? সম্ভবত না। উল্টে এই কথাটা শুনে হয়তো খারাপ লাগতে পারে, বিবেকে বাঁধতে পারে অথবা যেটা হতে পারে সেটা হল আপনি অবাক হতে পারেন। কিন্তু এটা সম্পূর্ণরুপে সত্যি। আর এরকম নজিরও রয়েছে।
এবার তাহলে আসুন আপনাদের সংস্কারী মনকে একটু নাড়া দেওয়া যাক। ১৫ বছর বয়সে প্রথম কুমারীত্ব হারান মুর। ২০ বছর বয়সে তার দেখা হয় ড্যানিয়েলের সঙ্গে। তার পর থেকে তারা শুধু শুয়ে থাকেন, তবে পরপুরুষের বা পরনারীর সঙ্গে বিছানায়।
সারা মুর এবং জেফ ড্যানিয়েল অন্যদের সাথে শুয়েই সংবাদের শিরনামে। ভাবছেন কি করে হল ? আসুন তাহলে জানা যাক। ৫,৪৮৫ জন মহিলা ও পুরুষের সঙ্গে শুয়েছেন তারা দুজনে মিলে। কেন ? জানতে চাইছেন ? অবাক হচ্ছেন ?
আসলে তারা পেশায় সে'ক্স থেরাপিস্ট। প্রতি দেশেই ভালো কিছু থেরাপিস্ট দরকার যাতে কোন সমস্যার সৃষ্টি হলে তারা সমাধান করে দিতে পারে। কিন্তু সারা মুর এবং জেফ ড্যানিয়েলের কাজ একটু ভিন্ন ধরণের বলে তাদের নিয়ে মিডিয়াতেও চর্চা হচ্ছে।
তাদের থেরাপির একটা পার্ট অন্যের বিছানায় রাত কাটানো। সারা ৩ হাজার ৩২৫ জনের সাথে বিছানায় গিয়েছেন যার মধ্যে ৫২ জন ভার্জিণিটি হারায়নি এমন পুরুষ। আর ড্যানিয়েল গেছেন ২ হাজার ১২৩ জনের সাথে বিছানায় এবং ৪২ জনকে ভার্জিনিটি হারাতে সাহায্য করেছেন। অবাক লাগলেও এই ঘটনা সত্যি আর পেশার খাতিরেই তারা এরকমটা করেছে। তাই এক্ষেত্রে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

No comments: