Wednesday, December 19, 2018

ধানের শীষের স্লোগান দিয়ে রাজবাড়ীতে দোকান ও জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদকের অফিসে হামলার অভিযোগ


রাজবাড়ী প্রতিনিধি ঃ রাজবাড়ী সদর উপজেলার দাদশী ইউনিয়নের সিংঙা বাজারে কে বা কারা ধানের শীষের স্লোগান দিয়ে বাজারের দুটি দোকানে আগুন এবং জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদকের ব্যাক্তিগত ও ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনার অফিসে গুলি করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আগুনে একটি হোটেল ও একটি মুদি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়েছে এবং বাজারের শহিদুল মার্কেটে জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সাইফুল এরশাদ এর ব্যাক্তিগত ও দাদশী ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনা অফিসের সাটারে গুলি বা ভারী বস্তুর আঘাতের চিহৃ দেখা গেছে।
রোববার দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটনা ঘটেছে। রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুইটি গুলি খোসা উদ্ধার করেছে।
স্থানীয়রা জানান, মধ্যে রাতে কে বা কারা বাজারের এসে ধানের শীষের স্লোগান দিয়েছে। সে সময় গুলির শব্দও পেয়েছেন এবং পড়ে তারা আগুন দেখতে পান । পড়ে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে । পুলিশও এসেছিলেন।
হোটেল মালিক কোবরান শেখ, কে বা কারা রাতে তার হোটেলে আগুন দিয়েছে তা জানেন না। তবে শুনেছেন ধানের শীষের স্লোগান দিয়ে আগুন দিয়েছে । সে সময় সেখান থেকে একটি প্রেট্রোলের ড্রপ পাওয়া গেছে। এ হোটেলের আয় থেকে তার সংসারের অনেক খরচ চলতো। এ ঘটনায় তিনি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মুদি দোকানের মালিক মীর মোঃ শামীম জানান, এ দোকানের আয় তার সংসারসহ যাবতীয় খরচ চলতো। তার দোকনে ভুসি ও মুদি মালামাল ছিল। আগুনে প্রায় সব মালামাল নষ্ট হয়ে । এতে তার প্রায় দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম এরশাদ জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বাঁধা গ্রস্থ ও জনগনের মাঝে ভীতি সৃষ্টি করতেই  জামায়াত-বিএনপি  চক্র এ কান্ড ঘটিয়েছে। রাতে তারা বাজারের দুটি দোকানে আগুন দেবার পর তার ব্যাক্তিগত ও ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনা অফিসের সাটারে গুলি করেছে। পুলিশ রাতেই তার অফিসের সামনে  থেকে গুলির খোসা উদ্ধার করেছে। এ অফিস থেকে জেলা ছাত্রলীগের কর্মকান্ডও পরিচালনা করেন। মূলত সাধারন জনগন ও তার অফিসে আসা নেতাকর্মীদের মাঝে ভীতি সৃষ্টি করতে স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াত-বিএনপি কর্মীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় তিনি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
রাজবাড়ী সদর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই সোমনাথ বসু জানান, খবর পেয়ে থানার ওসিসহ তারা ঘটনাস্থলে যান। আগুন দেওয়া দোকানের স্পর্ট থেকে একটি প্রেট্রোলের জার পাওয়া গেছে এবং ওইস্থান থেকে জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদকের অফিসের মাঝামাঝি স্থানে একটি কাতুর্জের খোসা ও জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদকের অফিসের সামনে থেকে একটি খোসা পেয়েছেন। ছাত্রনেতার অফিসের সাটারের চিহৃ স্পষ্ট না। তবে ধারনা করছেন শিসা বা রাবার প্লেটের কার্তূজ বা ভারী কোন বস্তুর আঘাতের চিহৃ রয়েছে সাটারে। এ ঘটনায় আজ দুপুর পর্যন্ত কোন অভিযোগ পান নাই। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।