Saturday, January 19, 2019

সংরক্ষিত মহিলা আসনে খালেদা খানম কে সংসদ সদস্য হিসেবে চান ঝিনাইদহ জেলাবাসী

বসির আহাম্মেদ, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ 
জাতীয় সংসদে সংরতি মহিলা আসনে ঝিনাইদহের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে মহিলা সংসদ সদস্য হিসেবে জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদিকা খালেদা খানম ঝিনাইদহ জেলা বাসী চান।সুবিধা বনচিত নারী সমাজকে এগিয়ে নিতে বর্তমান সময়ে খালেদা খানম এর বিকল্প নেই।গরীব দুঃখী মানুষের প্রাণের নেত্রী ঝিনাইদহের কৃতি সন্তান গণমানুষের প্রিয় মুখ নারী জাগরণ নারী আন্দোলনের অগ্নিকন্যা।তিনি হরিনাকুন্ডু উপজেলার মাঠ আন্দুলিয়া মৃত গোলাম রহমানের কন্যা ও জেলা শহরের বনানী পাড়ার আওয়ামীলীগ নেতা মৃত দুদু মিয়ার বিটার বউ এবং বর্তমান খন্দকার পাড়ার বসবাস করেন।  ২০০১ সালে উদ্ভাবনী নার্সারীর উপর প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক জাতীয় পুরুষ্কার স্বর্ণপদক পায়।২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগ জেলা শাখার সাধারন সম্পাদিকার দ্বায়ীত্ব সফলভাবে পালন করছেন খালেদা খানম।২০০৯ সাল থেকে বাংলাদেশ মহিলা সংস্থা জেলা শাখার চেয়ারম্যানের দ্বায়ীত্ব সফলভাবে পালন করছেন।২০১০ সাল থেকে ঝিনাইদহ জেলা নার্সারী মালিক কল্যান সমিতির সাধারন সম্পাদক।২০১০ সাল থেকে জাতীয় আইন সহায়তা কমিটির সদস্য হওয়ায় সাফল্যের সাথে দায়ীত্ব পালন করছেন।২০১৮ সালে সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে চরিত্রহীন বলে কলংকিত ও অপমানিত করায় আমি ব্যারিষ্টার মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে পাঁচশত কোটি টাকার মানহানি মামলা করি।
একান্ত সাাত কারে এ প্রতিবেদকের সাথে তিনি বলেন,বর্তমানে আমার প্রাণপ্রিয় জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাকে অব্যহত রাখতে আমি আমার ছাদে একটি সফল ছাদকৃষি গড়ে তুলেছি। তিনি বলেন,অতীত ও বর্তমান রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকান্ডে আমার যথেষ্ট ভূমিকা আছে।১৯৮৭ সালে সরকারী কেসি কলেজে একাদশ শ্রেনীতে পড়ার সময় ছাত্রলীগ রাজনীতির বিভিন্ন কমৃকান্ডে জড়িত ছিলাম,১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগ জেলা শাখার শ্রম সম্পাদকের দ্বায়িত্ব পালন করেছি।১৯৯৭ সালে হামদহ সমবায় সমিতির সাধারন সম্পাদকের দ্বায়িত্ব পালন করেছি।একই সালে কুষ্টিয়া সমবায় ইনষ্টিটিউটে সাফল্যের সাথে কোর্সটি সম্পন্ন করি।১৯৯৭ সালে কুষ্টিয়া কোটবাড়ি সমবায় ইনষ্টিটিউটে সাফল্যের সাথে কোর্সটি সম্পন্ন করি।১৯৯৮ সালে জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ন- সম্পাদকের দ্বায়িত্ব পালন করেছি।১৯৯৮ সালে “উদ্ভাসিত ঝিনাইদহ”নারী শিা কেন্দ্র সাফল্যেও সাথে পরিচালনা করি।২০০৬ সালে আমার উদ্ভাবনী নার্সারী কে নিয়ে আমার জীবন বৃত্তান্ত মে মাসের পৃষ্ঠায় বৃটিশ আমেরিকা টোবাকো কোম্পানি কর্তৃক বার্ষিক ক্যালেন্ডারে প্রকাশ পায়।২০০৮ সালে আমার উদ্ভাবনী নার্সারী কে সরকারী পর্যায়ে মূল্যায়িত করার জন্য সমাজ কল্যাণ অধিদপ্তর ঝিনাদহ থেকে নিবন্ধন করি।২০১০ সালে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ কর্তৃক কৃষিতে অবদানের উপর সম্মাননা পুরুষ্কার প্রাপ্ত হই।২০১৫ সালে  কৃষিতে অবদানের জন্য পৌর মেয়র কর্তৃক আমাকে আলোকিত মানুষ হিসেবে সম্মাননা পুরুষ্কার প্রাপ্ত হই।২০১৮ সালে মাদার তেরেশা স্মৃতি পদক পায় তৃনমূল রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকান্ডের উপর।২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক শান্তি পদক পায় তৃনমূল রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকান্ডের উপর।
আমার শ্বশুর বাড়ী মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমান (দুদুমিয়া)।আমার শ্বশুর পূর্ব পাকিস্তানের .০৬পয়সার আওয়ামীলীগের সদস্য ছিলো।১৯৭১ সালে যোদ্ধাকালীন সময়ে আমার শ্বশুর বাড়ীটি মুক্তিযোদ্ধা আনচলিক তথ্য কেন্দ্র ছিলো,সেই সুবাদে যোদ্ধাকালীন সময়ে জাতীয় নেতা মরহুম তাজউদ্দীন আহমেদ সহ আরো অনেক নেতাই দুদুমিয়ার জেলা শহরের (হামদহ) বনানী পাড়ায় বাড়ীতেই অবস্থান করতো।আমার শ্বশুরের ১৯৭১ সালের অনেক ইতিহাস আছে।আমার স্বামী মনিছুর রহমান (কারু) বিগত ঝিনাইদহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য ছিলো,বর্তমানে  ঝিনাইদহ জেলা বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সহ-সভাপতি।আমার বড় ভাসুর মোখলেচুর রহমান (তরু) জেলা তাঁতী লীগের যুগ্ন আহবায়ক। আমার মেঝো ভাসুর আনিসুর রহমান(হিরু)জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি।আমার ছোট দেবর আশিকুর রহমান (বিরু) জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সদস্য।আমার পিতা গোলাম রহমান মিয়া একজন দেশপ্রেমিক সম্মূখ যোদ্ধা-কারী বীর মুক্তিযোদ্ধা।আমিই একমাত্র কন্যা সন্তান।আমার ১১(এগার)ভাই আওয়ামীলীগের কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।জামাত-বিএনপি কর্তৃক ব্যাপক য়তি হয়েছে।তার আংশিক হলো (জাতীয় পুরুষ্কার স্বর্ণপদক) ২০০১ সালে উদ্ভাবনী নার্সারী চারা বিক্রয় কেন্দ্র অফিস ঘরে জামাত-বিএনপি কর্তৃক অগ্নিকান্ড ঘটায়।ফায়ার সার্ভিস দ্বারা অগ্নি নির্বাপন করে তার প্রতিবেদন আজও আমি বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছি।যাব্যাপক য়তি হয়েছে।
২০০১ সালে আমার উদ্বোধনী নার্সারীর পট থেকে জামাত বিএনপি কতৃক চারাগাছ কেটে ফেলা , সাইনবোড থেকে খালেদা নাম মুছে ফেলা, সর্বশেষ সাইনবোড উধাও করা, ্আমাকে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে জোর পূর্বক চাঁদা দিতে বাধ্য করে।২০০৩ সালে আমার উদ্ভাবনীর নার্সারীর চারা ঠিকাদার আব্দুল জব্ব রের মাধ্যমে সড়ক ও জনপধের রাস্তায় সরবরাহ করা হত। ইক্ত ঠিকাদারকে জামাত বিএনপি কর্তূক মেওে ফেলায়,আজ আমি নিঃস হয়ে গেছি।সারা জীবন আমি জীবনের ঝুকি নিয়ে আওয়ামী রাজনীতি করে আসছি।  বিরোধী দলের সময়ও রাজপথে মিছিল মিটিং ও সংগ্রাম করেছি।তিনি ইতিমধ্যে শত শত উঠান বৈঠকের মাধ্যমে জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড ও সাফল্য নারী সমাজের কাছে তুলে ধরে নারীদেরকে সুসংগঠিত করে নারী জাগরনের দৃষ্ট্রান্ত স্থাপন করেছেন এবং তিনিই জনপ্রিয়তায় শির্ষে রয়েছেন।আর  তাই ঝিনাইদহের নারী সমাজের ভাগ্যোউন্নয়নে একাদশ জাতীয় সংসদের  সংরতি মহিলা আসনে মহিলা এমপি হিসেবে চাই এমনটাই প্রত্যাশা ঝিনাইদহ জেলা বাসীর।এটাই ঝিনাইদহ বাসী একমাত্র প্রাণের দাবী মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে।